বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০সত্য ও সুন্দর আগামীর স্বপ্নে...

জীবনযাপন

সকালে কুসুম গরম পানি খেলে যেসব রোগ থেকে মুক্তি মিলবে

সকালে কুসুম গরম পানি খেলে যেসব রোগ থেকে মুক্তি মিলবে

জীবনযাপন
জীবনযাপন ডেস্ক : সকাল ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পানি খাওয়ার উপকারিতার কথা আমরা সবাই জানি। আমাদের শরীরের ৭০ শতাংশই পানি। তাই শরীর সুস্থ ও সতেজ রাখার জন্য পানি পান করা আবশ্যক। তবে প্রতিদিন সকালে নিয়ম করে খালি পেটে কুসুম গরম পানি খেলে বেশ কিছু রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আপনি যদি সঠিক সময়ে সঠিক পরিমাণে পানি পান করেন তাহলে তা আপনার শরীরের জন্য অমৃত সমান হয়ে উঠতে পারে। আসুন জেনে নিই সকালে কুসুম গরম পানি খাওয়ার উপকারিতা- ১. যারা কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ব্যথা, গ্যাস ও অম্বলের সমস্যায় ভোগেন তাদের জন্য গরম পানি খুব ভালো কাজ করে। সকালে খালি পেটে গরম পানি খাওয়ার অভ্যাস এসব সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। ২. হজমের সমস্যা হলে প্রতিদিন খালি পেটে এক গ্লাস করে কুসুম গরম পানি পান করতে পারেন। এতে করে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায় ও সহজেই খাবার হজম হয়। ৩. সারা শরীরের ছড়িয়ে থাকা বিষাক্ত পদার্থ বেরিয়ে যাবে যদি নিয়মিত কুসুম গ
গরমে তরমুজ খেলে ৫ উপকার

গরমে তরমুজ খেলে ৫ উপকার

জীবনযাপন, সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
বৈশাখ মাসের শুরুতে বেড়েছে দাবদাহ। গরমের কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। শরীরে পানিশূন্যতা পূরণে তরমুজ খুবই উপকারী। মৌসুমি ফল হিসেবে বেশ চাহিদা রয়েছে তরমুজের। তরমুজ রসে ভরপুর সুস্বাদু একটি ফল। তরমুজ স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী ফল। এর পুষ্টিগুণ ভাণ্ডারও বেশ সমৃদ্ধ। তরমুজ তীব্র গরমেও আপনার শরীরকে পানিশূন্যতা পূরণ করে। কম সামান্য ক্যালোরি আছে এতে। এক কাপ তরমুজ থেকে মাত্র ৪৬ ক্যালোরি পাওয়া যায়। গরমে তরমুজ খেলে যত উপকার-  ১. সর্দি-কাশি, জ্বর ও ইউরিনের সমস্যায় তরমুজ খুবই উপকারী। এ ছাড়া ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে তরমুজ উপকারী বন্ধু হিসেবে কাজ করে। ২ শরীরের বেশ কিছু জরুরি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট পাওয়া যায় তরমুজ থেকে, যা শরীরকে সুস্থ রাখে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে তরমুজ খেতে পারেন। ৩. তরমুজে ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়ামসহ বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন থাকে, যা হৃদরোগ প্রতিরোধ করে।৪. তরমুজ ত্বক ও চ
চিরচেনা কালোজিরা-মধু-আদাতেই স্বস্তি

চিরচেনা কালোজিরা-মধু-আদাতেই স্বস্তি

জীবনযাপন
হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার এই সময়টায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো। আর এই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নির্ভর করতে পারি বিশুদ্ধ প্রাকৃতিক উপাদানেই। আমাদের চিরচেনা কালোজিরা- মধু- আদায়ই রয়েছে সেই অমূল্য উপকারিতা। আসুন জেনে নেই:  কালোজিরা মৃত্যু ছাড়া সব রোগের ওষুধ বলা হয় কালোজিরাকে। স্থুলতা, ক্যান্সার ও হৃদরোগ সব কিছুর বিরুদ্ধেই শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ কালোজিরা। সাধারণ সর্দি-কাশি, নাক বন্ধ, গলা ব্যথা, জ্বর, যেকোনো ধরনের শারীরিক দুর্বলতা কাটাতেও কালোজিরার জুড়ি নেই।   মধু অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ মধুর উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। দ্রুত ক্ষত সারাতে সাধারণ জ্বর সর্দি-কাশিতে মধু ওষুধের মতোই কাজ করে।  আদা মাথা ব্যথা, পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব, ঠান্ডা লেগে কাশির চিকিৎসায় আদা ব্যবহার হয়ে আসছে।  কালোজিরা-মধু-আদার
জ্বর হলেই করোনা আতঙ্ক নয়

জ্বর হলেই করোনা আতঙ্ক নয়

জীবনযাপন
আমাদের দেশের আবহাওয়ার তারতম্যের ফলে জ্বর-ঠাণ্ডা-কাশি হতে পারে। তবে বর্তমানে করোনাভাইরাস নিয়ে পুরো বিশ্ব যখন উদ্বিগ্ন তখন বাড়তি সতর্কতা নিশ্চয় প্রয়োজন। তবে জ্বর হলে প্রথমেই করোনা আতঙ্কে না থেকে নমুনা পরীক্ষার পাশাপাশি পরামর্শগুলো মেনে চলুন: বিশেষজ্ঞরা বলেন, জ্বর হলে- •    স্যুপ, হারবাল চা, কফি, মধু দিয়ে গরম পানি বারবার পান করুন •    শরীরের অতিরিক্ত তাপ হলেই আমরা জ্বর বলি। সিজনাল জ্বর হলেও থার্মোমিটার দিয়ে নিয়মিত জ্বর মেপে একটি ছক করে লিখে রাখুন •    হালকা গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে বারবার শরীর মুছে নিন। এতে জ্বরের তাপ কমবে •    ঠাণ্ডা সর্দিতে আমাদের নাক চুলকায়, নাক দিয়ে পানি পড়ে, টিস্যু দিয়ে বারবার নাক মোছার ফলে অনেক সময় নাকের চামড়া ছিলে যায়। এজন্য নাক বেশি ঘষা যাবে না। নাকে ক্রিম ব্যবহার করুন •    ভিটামিন সি জাতীয় ফল লেবু, কমলা, পেঁপে, পেঁয়ারা, আমলকি বেশি বেশি খান। ঠাণ্
নখ কামড়ানো বাজে অভ্যেস

নখ কামড়ানো বাজে অভ্যেস

জীবনযাপন
নখ কামড়ানোর অভ্যাস ছোটদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়। কিন্তু এই অভ্যাস থেকে দূরে সরে নেই বড়রাও। অনেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরও নখ কামড়ানোর অভ্যাস থাকে। আমাদের নখে অনেকরকম জীবাণু থাকতে পারে। আর নখ কামড়ানোর মাধ্যমে সেসব জীবাণু সহজেই শরীরে প্রবেশ করতে পারে। বড়রা নখ খেলে আমরা বুঝতে পারি যে, কোনোরকম উদ্বেগ বা উত্কণ্ঠা থেকেই এমন কাজ করছেন তারা। তবে বিজ্ঞানীদের আবিষ্কারে শুধু এটি বাজে অভ্যেস হিসেবেই থাকেনি, বরং এর সঙ্গে এক অদ্ভুত ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠেছে। নখ কামড়ানো মানুষেরা কিছুটা আলাদা বৈশিষ্ট্যের হয়ে থাকেন। বিজ্ঞানীদের ভাষায় এটি অনিকোফাগিয়া নামে পরিচিত। তারা বলছেন, কলম চিবুনো, নিজের চুল টানা এমনই স্বভাবের ভাগে পড়ে নখ খাওয়া। এরা শুধু স্ট্রেস বা উদ্বেগই নয়, এক ধরনের পারফেকশনিস্ট হন। মন্ট্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা একে বলেছেন, নখ খাওয়া মানুষেরা রিল্যাক্স করতে পারেন না, যেকোনো কাজ করতেই থাকেন।