বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯সত্য ও সুন্দর আগামীর স্বপ্নে...

ত্বকের সৌন্দর্যে মেসোথেরাপি

ত্বকের সৌন্দর্যে মেসোথেরাপি

ঢাকা : মেসোথেরাপি, অর্থাৎ ত্বকের মেসোডারম স্তরে কৃত্রিম মেসোডারমাল টিস্যু’র মাধ্যমে চিকিৎসা। ত্বকের সৌন্দর্যে বর্তমানে এক নব-জাগরণ সৃষ্টি করেছে।<br/><br/> বর্তমানে সবচেয়ে সুফলদায়ক, জনপ্রিয় এবং পার্শ্ব ক্রিয়াবিহীন ‘হায়ালুরনিক এসিড’ মেসোথেরাপির জন্য উৎকৃষ্টতম পদার্থ। ‘হায়ালুরনিক এসিড’ একটি জেলি জাতীয় আঠালো পদার্থ যেটি ত্বকের কোলাজেন আঁশ ও ইলাস্টিন আঁশসমূহের মাঝখানে বিদ্যমান থাকে। যেটি বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অথবা অল্প বয়সেই ত্বকের অযত্নে বা পুষ্টির অভাবে বা নিন্মমানের কসমেটিকস ব্যবহারে বা সূর্য-রশ্মির পার্শ্বক্রিয়ায় নষ্ট হতে থাকে। এতে ত্বক শিথিল হয়ে যায় এবং ত্বকে ফাইন লাইন বা রিঙ্কল্স ও বয়সের চিহ্ন পরিস্ফুট হয়ে উঠে। <br/><br/> মেসোথেরাপি কীভাবে করা হয় বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, যেমন- ডারমারোলার বা ইনজেকশনের মাধ্যমে ত্বকের বিভিন্ন স্তরে শিল্পীর তুলির আঁচড়ে অত্যন্ত সু-নিপুণ প্রক্রিয়ায় অভিজ্ঞ ত্বক বিশেষজ্ঞ/কসমেটিক সার্জনের মাধ্যমে মেসোথেরাপি সম্পাদন সম্ভব।<br/><br/> সু-খবর হল- ডারমারোলার মাধ্যমে ‘হায়ালুরনিক এসিড’ ব্যবহার করে খুবই স্বল্প খরচে ত্বক-সুন্দরীদের মুখ, গলা ও বাহু এবং তল পেটের ভাসমান বয়স্কের চিহ্ন এবং রিঙ্কলস ১ থেকে ২ সেশন চিকিৎসায় নির্মূল করা সম্ভব। এটি নিরাপদ।<br/><br/> লেখক : ত্বক, যৌন, অ্যালার্জি ও কসমেটিক সার্জন, বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।