রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০সত্য ও সুন্দর আগামীর স্বপ্নে...

করোনা : কমলনগরে সুস্থ্য হওয়া তিনজনকে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছেন ডা. রাজিব

করোনা : কমলনগরে সুস্থ্য হওয়া তিনজনকে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছেন ডা. রাজিব

নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত নারী ও শিশুসহ তিনজন সুস্থ্য হয়েছেন। সুস্থ্য হয়ে উঠা ওই তিনজনকে নিজ নিজ বাড়িতে পরিবারের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. রেজাউল করিম রাজিব। সোমবার (৪মে) বিকালে করোনা যুদ্ধে জয়ী হওয়া রোগীদের আনুষ্ঠানিকভাবে ছাড়পত্র দেওয়া হয়; ফুলেল শুভেচ্ছায় প্রদান করা হয় উপহার। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবদুল গাফ্ফার, কমলনগর উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু তাহের ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আমিনুল ইসলাম মঞ্জু ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ওমর ফারুক সাগরসহ হাসপাতালের চিকিৎসকরা। সুস্থ্য হওয়া রোগীরা হলেন চর মার্টিন এলাকার নয়ন আক্তার, চর ফলকন গ্রামের মো. ইব্রাহিম ও চর লরেন্স এলাকার শিশু রিহান। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় দেওয়ার পর মেডিকেল অফিসার রেজাউল করিম রাজিব বাড়ি গিয়ে নিজ নিজ পরিবারের কাছে তাদের পৌঁছে দেন। সুস্থ্য হয়ে উঠা রোগীরা বলেন, সকল চিকিৎসক ও নার্সদের পরম যত্নে ও সেবায় আমরা সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছি। সুস্থ্য হয়ে পরিবার ও স্বজনদের কাছে ফিরে আসা সত্যিই আনন্দের। মেডিকেল অফিসার ডা. রেজাউল করিম রাজিব বলেন, কোরোনা আক্রান্ত রোগীরা সুস্থ্য বাড়ি ফিরেছেন এটি চিকিৎসকদের জন্যেও আনন্দের; করোনার বিরুদ্ধে চিকিৎসকদের বিজয়। কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু তাদের বলেন, উপজেলায় করোনা আক্রান্ত পাঁচ জনের মধ্যে তিন সুস্থ্য হয়েছেন। চিকিৎসা পরবর্তী দু’টি নমুনা পরীক্ষায় তাদের করোনা নেগেটিভ আসে। তারা এখন করোনা ভাইরাস মুক্ত ও শারিরিকভাবে সুস্থ্য হওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে ছাড়পত্র ও উপহার দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, কমলনগরে গত ১৬এপ্রিল বৃহস্পতিবার নারী ও শিশুসহ তিনজনের করোনা শনাক্ত হয়। এরপর থেকে এক সপ্তাহ তাদেরকে নিজ নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাতে তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা সেবায় তারা ধীরে ধীরে সুস্থ্য হয়ে উঠেন। এসময় তাদেরকে হাসপাতালের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার পাশিপাশি বাইর থেকে ওষুধ, ইফতারি, খাবার, শিশুখাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন হাসপাতালের চিকৎসক রেজাউল করিব রাজিব। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি উপজেলার তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নে করোনা উপসর্গে মারা যাওয়া একজন শ্রমিককে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মধ্যেরাতে দাফন ও জানাজা সম্পন্ন করেন ডা. রেজাউল করিম রাজিব।
  • Facebook
  • Twitter
  • LinkedIn
  • Print
Copy link
Powered by Social Snap