মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১সত্য ও সুন্দর আগামীর স্বপ্নে...

এখনও শোকে স্তব্ধ নেতাকর্মীরা, রামগতিতে শফিউল বারী বাবু’র জন্য দোয়া

এখনও শোকে স্তব্ধ নেতাকর্মীরা, রামগতিতে শফিউল বারী বাবু’র জন্য দোয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক : গত বছরের ২৮ জুলাই ভোর ৪টায় পৃথিবীর মায়া ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল বারী বাবু। সেই দিন তার অকাল মৃত্যুর খবরে লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগরে সর্বস্তরের মানুষ যেনো স্তব্ধ হয়ে গেছেন। গুনি এই নেতার মৃত্যুতে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ সকল রাজনৈতিক নেতাকর্মী সমর্থকসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। তার মতো একজন যোগ্য ও দক্ষ নেতা আর ফিরে আসবেননা। তাকে হারিয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা এখনও শোকে মুহ্যমান। বাবু’র অকালে চলে যাওয়া শুধু দলের জন্য নয়, রামগতি ও কমলনগরের বড় ক্ষতি হয়ে গেছে। রামগতি ও কমলনগরে মানুষের জন্য নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন শফিউল বারী বাবু। তার জন্য এখনও সাধারণ মানুষসহ দলীয় নেতাকর্মীরা কাঁদছেন। প্রায়ই দেখা যায় বিভিন্ন স্থান থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা কবর জিয়ারত ও দোয়া করতে আসেন তার গ্রামের বাড়ি রামগতিতে। তার কবর প্রাঙ্গনে এসে খোদার কাছে দোয়া চেয়ে কাঁদেন। বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) বিকালে রামগতি উপজেলা যুবদল, কমলনগর স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতারা প্রয়াত শফিউল বারী বাবু’র কবর জিয়ারত ও তার আত্নার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করে। এরআগে বুধবার ঈদের দিন (২১ জুলাই) বিকালে উপজেলার চর আলগী এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে দলীয় নেতাকর্মী, পরিবারের লোকজন, আত্নীয়-স্বজন ও স্থানীয়রা কবর জিয়ারতে অংশ নেন। পরে তার আত্নার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি ও প্রয়াত শফিউল বারী বাবুর বড় ভাই সাহেদুল বারী মির্জা, লক্ষ্মীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ সভাপতি আবু সায়েম মোহাম্মদ শাহিন, রামগতি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন বাবর, রামগতি উপজেলা যুব দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কারীমুল হক ফিরোজ এছাড়াও রামগতি ও কমলনগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল ও যুবদলের অনেক নেতাকর্মী এতে অংশ নেন। রামগতি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন বাবর বলেন, ২৮ জুলাই শফিউল বারী বাবুর প্রথম মৃত্যু বাষির্কী। এ উপলক্ষে কোরআন খতম, দোয়ার মাহফিলসহ সপ্তাহ ব্যাপী কর্মসূচী হাতে নেওয়া হয়েছে। রামগতি এবং কমলনগরের শোকাহত ও ব্যথিত বাসিন্দারা বলেন, বাবু ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হয়ে জাতীয় পর্যায়ের নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাকে নিয়ে আমরা স্বপ্ন দেখেছি। কিন্তু তার এই অসময়ে চলে যাওয়া আমাদের জন্য বড় কষ্টের। বাবুর মৃত্যুতে রামগতি ও কমলনগরের মানুষ একটা রত্ন হারিয়েছে। তার মৃত্যুতে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে তা সহজে পূরন হবার নয়।
  • Facebook
  • Twitter
  • LinkedIn
  • Print
Copy link
Powered by Social Snap