সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯সত্য ও সুন্দর আগামীর স্বপ্নে...

Month: আগস্ট ২০১৯

সাবেক এমপি আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম আর নেই

সাবেক এমপি আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম আর নেই

কমলনগর, টপ সেকশন-২, সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক : তৎকালীন নোয়াখালী-১২ (হাতিয়া-রামগতি) আসনের সাবেক গণপরিষদ সদস্য ও জাতীয় সংসদ সদস্য মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম আর নেই। বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ... রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৮৫ বছর। তিনি লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার চর লরেন্স গ্রামের বাসিন্দা। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে, আত্নীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যু গভীর শোক প্রকাশ করেছেন লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর)আসনের সংসদ সদস্য; বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.)আবদুল মান্নান, সাবেক সংসদ সদস্য কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদুন্নাহার লাইলী, আশরাফ উদ্দিন নিজান, লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব এমএ
কমলনগরের প্রথম কমিউনিটি ক্লিনিকটি নদী ভাঙনের মুখে

কমলনগরের প্রথম কমিউনিটি ক্লিনিকটি নদী ভাঙনের মুখে

কমলনগর, টপ সেকশন-২, লক্ষ্মীপুর, সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
সাজ্জাদুর রহমান : লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনের মুখে পড়েছে উপজেলায় স্থাপিত প্রথম কমিউনিটি ক্লিনিকটি।১৯৯৭ সালে চর ফলকন গ্রামের তালুকদার বাড়ির সামনে ক্লিনিকটি নির্মাণ করা হয়। প্রতিদিন ফলকন ও পাটারিরহাট ইউনিয়নের শত শত বাসিন্দা এ ক্লিনিক থেকে স্বাস্থ্য সেবা নিত। কিন্তু বর্তমানে এটি মেঘনার ভাঙনের মুখে রয়েছে। চর ফলকন লুধূয়া এলাকার বাসিন্দা মরহুম আবুল হোসেন তালুকদারের ছেলেরা সরকারিভাবে ক্লিনিকটি স্থাপনের জন্য জমি দান করেন। তাদের জমিতে মির্মাণ হওয়ায় নাম দেওয়া হয়েছে আবুয়াল হোসেন কমিউনিটি ক্লিনিক। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, নদী থেকে ক্লিনিকটির দুরত্ব মাত্র ৫০ মিটার। এদিকে ধেঁয়ে আসছে মেঘনা। আশে পাশের ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, ফসলি জমিসহ শত শত পরিবার এখন হুমকির মুখে। ক্লিনিকের পাশেই রয়েছে ঘুর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ। এসব রক্ষায় নদীর পাড়ে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ স্থাপন কর
কমলনগরে মেঘনা গিলে খাচ্ছে তালুকদার বাড়ি

কমলনগরে মেঘনা গিলে খাচ্ছে তালুকদার বাড়ি

কমলনগর, খবর, টপ সেকশন-১, সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
সাজ্জাদুর রহমান : লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের ঐতিহ্যবাহী আবুল হোসেন তালুকদার বাড়ি মেঘনা গিলে খাচ্ছে। ভয়াবহ ভাঙনে বাড়ির বেশির ভাগ অংশ এখন নদী গর্ভে। ওই বাড়ির আশেপাশেও ব্যাপকভাবে ভাঙছে। আতঙ্ক পুরো এলাকা জুড়ে। ভাঙন ঠেকাতে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হলেও; তা যথেষ্ঠ নয়। সোমবার (২৬ আগস্ট) উপজেলার ফলকন গ্রামের ভাঙন কবলিত এলাকা গিয়ে দেখা যায়, তালুকদার বাড়ির উঠানে এখন মেঘনা নদী। প্রায় দশ একর বাড়ির বেশিরভাগ অংশ এখন রাক্ষুসে মেঘনার পেটে। গত দুই সপ্তাহের ভাঙনে বাড়ির নারিকেল-সুপারি বাগান তলীয়ে গেছে। বিলীন হয়েছে দু’টি বসতঘর। এখন চারটি পাকা বসতঘর ভেঙে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তালুকদার বাড়ির বাসিন্দারা বাপ-দাদার বসতভিটে হারিয়ে এখন শোকে পাথর। বাড়ির শেষ চিহ্ন দেখতে আতœীয় স্বজনরা আসছেন। তবে কারও শান্তনা দেওয়ার যেন ভাষা নেই। সবাই নির্বাক। সম্প্রতি ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে একই গ্রামের ১৩০ বছরের ঐতিহ্যবাহী চ
এবার বলিউড মাতাবেন রেল স্টেশনের সেই ভিক্ষুক রানু

এবার বলিউড মাতাবেন রেল স্টেশনের সেই ভিক্ষুক রানু

বিনোদন
এলোমেলো চুল নিয়ে, ময়লা পোশাক পরে রেল স্টেশনের প্ল্যাট ফর্মে বসে গান গাইতেন রানু। পথে যেতে যেতে মানুষ তার হাতে যেই এক টাকা দুই টাকা তুলে দিতো সেই টাকাতেই পথ চলতো তার। তার গানের একটি ভিডিও ভাইরাল হয় সম্প্রতি। আর এই গানই বদলে দিলো তার জীবন। কোটি কোটি মানুষ তার গানশুনে হাত তালি দিচ্ছে। সেই সুবাদেই এবার বলিউড থেকে ডাক আসে রানুর। নদিয়ার রানু মণ্ডল গান রেকর্ড করেছেন হিমেশ রেশমিয়ার সুরে। ‘তেরি মেরি কাহানি’ শিরোনামে একটি গানে কন্ঠ দিয়েছেন তিনি। গানটি থাকবে বলিউডের আসন্ন ‘হ্যাপি হার্ডি অ্যান্ড হির’ সিনেমায়। রানুকে দিয়ে সিনেমার গান গাওয়ানো প্রসঙ্গে হিমেশ বলেন, ‘সালমান ভাইয়ের বাবা সালিম আঙ্কেল আমাকে বলেছিলেন জীবনে প্রতিভাধর মানুষের সঙ্গে আলাপ হলে তার পাশে দাঁড়াতে।’ গত ২০ জুলাই সোশ্যাল মিডিয়ায় লতা মঙ্গেশকর গাওয়া একটি গান গেয়ে রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে যান রানু। একমাসে গানটির ভিউয়ারের সংখ্যা প্রায়
নখ কামড়ানো বাজে অভ্যেস

নখ কামড়ানো বাজে অভ্যেস

জীবনযাপন
নখ কামড়ানোর অভ্যাস ছোটদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়। কিন্তু এই অভ্যাস থেকে দূরে সরে নেই বড়রাও। অনেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরও নখ কামড়ানোর অভ্যাস থাকে। আমাদের নখে অনেকরকম জীবাণু থাকতে পারে। আর নখ কামড়ানোর মাধ্যমে সেসব জীবাণু সহজেই শরীরে প্রবেশ করতে পারে। বড়রা নখ খেলে আমরা বুঝতে পারি যে, কোনোরকম উদ্বেগ বা উত্কণ্ঠা থেকেই এমন কাজ করছেন তারা। তবে বিজ্ঞানীদের আবিষ্কারে শুধু এটি বাজে অভ্যেস হিসেবেই থাকেনি, বরং এর সঙ্গে এক অদ্ভুত ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠেছে। নখ কামড়ানো মানুষেরা কিছুটা আলাদা বৈশিষ্ট্যের হয়ে থাকেন। বিজ্ঞানীদের ভাষায় এটি অনিকোফাগিয়া নামে পরিচিত। তারা বলছেন, কলম চিবুনো, নিজের চুল টানা এমনই স্বভাবের ভাগে পড়ে নখ খাওয়া। এরা শুধু স্ট্রেস বা উদ্বেগই নয়, এক ধরনের পারফেকশনিস্ট হন। মন্ট্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা একে বলেছেন, নখ খাওয়া মানুষেরা রিল্যাক্স করতে পারেন না, যেকোনো কাজ করতেই থাকেন।