বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯সত্য ও সুন্দর আগামীর স্বপ্নে...

টপ সেকশন-২

লক্ষ্মীপুর জেলায় চেয়ারম্যান পদে একমাত্র নারী প্রার্থী কমলনগরের রেবেকা মহসিন

লক্ষ্মীপুর জেলায় চেয়ারম্যান পদে একমাত্র নারী প্রার্থী কমলনগরের রেবেকা মহসিন

কমলনগর, টপ সেকশন-২, নির্বাচন, সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সম্ভব্য প্রার্থী রেবেকা মহসিন। তিনি জেলার একমাত্র চেয়ারম্যান পদে নারী প্রার্থী। লক্ষ্মীপুরের ৫টি উপজেলায় অন্য কোনো নারী চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী নেই। রেবেকা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে তার প্রার্থীতা ঘোষণা করায় দলীয় নেতাকর্মী সমর্থকরাসহ সর্বস্তরের মানুষ স্বাগত জানিয়েছেন। রেবেকা মহসিন কমলনগর উপজেলার আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক। ১৪ দলীয় জোটের সন্ত্রাস জঙ্গীবাদ-নির্মূল কমিটির উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি বৃহত্তর রামগতি উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। তিনি প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা হাজীরহাট মিল্লাত একাডেমীর প্রধান শিক্ষক মো. মহসিনের স্ত্রী। তার রাজনৈতিক জীবনে নারীদের অধিকারের জন্যে কাজ করছেন। শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে তৃণমূলের নারীদেরকে আওয়ামী লীগের রা
লক্ষ্মীপুরে সাত দিনে সড়কে ঝরলো ১১ প্রাণ

লক্ষ্মীপুরে সাত দিনে সড়কে ঝরলো ১১ প্রাণ

টপ সেকশন-২, লক্ষ্মীপুর, সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুরে গত সাত দিনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ১১ জন প্রাণ হারিয়েছে। এ মৃত্যুর মিছিলে একই পরিবারের ৬ জন রয়েছে। আহত হয়েছে অন্তত ৩০ ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুর থেকে বুধবার (২৩ জানুয়ারি) ভোর পর্যন্ত গত সাত দিনে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বিভিন্নস্থানে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। বুধবার ভোর ৫টায় বেগমগঞ্জ-লক্ষ্মীপুর সড়কের রতনপুর এলাকায় এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৬ জনসহ ৭ জন নিহত হন। নিহতরা হলেন- অটোরিকশার যাত্রী একই পরিবারের শাহ আলম, নাছিমা আক্তার, রোকেয়া বেগম, শামছুন নাহার, রুবেল, অমিত ও অটোরিকশাচালক নুরু। এরা সবাই লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের বসুদহিতা এলাকার বাসিন্দা। নিহতের স্বজনরা জানান, নিহত শাহ আলমের ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী নাদিম মাহমুদ অন্তরকে মঙ্গলবার (২২ জানুয়ারি) রাতে লক্ষ্মীপুরের সাদারঘর এলাকায় দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে আহত করে।
মহাকাশ গবেষণায় ‘পালাবদল’ করতে যাচ্ছে ভারত

মহাকাশ গবেষণায় ‘পালাবদল’ করতে যাচ্ছে ভারত

আন্তর্জাতিক, টপ সেকশন-২
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আরও এগিয়ে গিয়ে অন্যান্য দেশকে টপকে মহাকাশ গবেষণায় ‘পালাবদল’ করতে যাচ্ছে ভারত। এজন্য আসছে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে দেশটি মহাকাশে মহাকাশচারী পাঠানোর লক্ষ্যমাত্রায় প্রকল্প হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (আইএসআরও) প্রধান কে সিভান। আর এতে করে বিশ্বে মহাকাশ গবেষণায় অনেক দেশকে পেছনে ফেলে বিশাল যাবে ভারত। শুক্রবার (১১ জানুয়ারি) আইএসআরও প্রধান বলেন, উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্প ‘গগনযান’ অভিযান সফল করতে সাহায্য করবে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। আর এই প্রকল্প সফল হলে গোটা বিশ্বের মধ্যে মাহাকাশে নিজস্বভাবে মানুষ পাঠানোর ক্ষেত্রে চতুর্থ জাতি হবে ভারতীয়। এর আগে ২০১৮ সালে দেশটির স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রথমবারের মতো গগনযান প্রকল্পের ঘোষণা দিয়েছিলেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তখন প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ২০২২ সালের মধ্যে ভারতের একটি পুত্র বা কন্যা মহাকাশে যাবে।
বছরের সব মৌসুমে ভাঙে কমলনগরের মেঘনা

বছরের সব মৌসুমে ভাঙে কমলনগরের মেঘনা

খবর, টপ সেকশন-২, লক্ষ্মীপুর, সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
সাজ্জাদুর রহমান : লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের মেঘনা নদী সারা বছর ধরে ভাঙে। সব মৌসুমে অব্যাহতভাবে ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে এই জনপদ। সম্প্রতি তীর রক্ষা বাঁধে ফের ধস নামে। শুষ্ক মৌসুমে বাঁধের ভাঙনে আতঙ্কিত উপজেলাবাসী। গত তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে কমলনগরে ভাঙন। ভয়াবহ ভাঙনে নদী গর্ভে হারিয়ে গেছে ফসলি জমি, হাট-বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বহু সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা। দ্রুত সময়ের মধ্যে তীর রক্ষা বাঁধের সংস্কার এবং ভাঙন ঠেকাতে দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু না হলে উপজেলা কমপ্লেক্সসহ কমলনগরের বিশাল অংশ বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জানা গেছে, গত দেড় বছরে তীর রক্ষা বাঁধে অন্তত আট বার ধস নেমেছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু না হওয়ায় বাঁধের দুই পাশের এলাকা অব্যাহতভাবে ভাঙছে। অনিয়মের মধ্য দিয়ে নিন্মমানের কাজ করায় বার-বার বাঁধে ধস নামছে। সম্প্রতি ১০০ মিটারে ধস নামে। এছাড়াও প্রতিদিনই মেঘনার ভাঙনে কেউ না কেউ নিঃস্ব হচ্ছেন। এ
মেঘনা পিছু ছাড়ছে না, বর্ষার আগে তীর রক্ষা বাঁধ জরুরি

মেঘনা পিছু ছাড়ছে না, বর্ষার আগে তীর রক্ষা বাঁধ জরুরি

খবর, জলবায়ু, টপ সেকশন-১, টপ সেকশন-২, সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
সাজ্জাদ রহমান : মেঘনা যেনো পিছু ছাড়ছে না লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার। বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙনের কবলে পড়ে কমলনগরের কয়েক হাজার পরিবারকে নিঃস্ব করেছে রাক্ষুসে এ নদী। গিলেছে বহু সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা। অব্যাহত ভাঙনে উপজেলার তিন ভাগের একভাগ এখন নদী গর্ভে। গত দেড় বছরে উপজেলার এক কিলোমিটার তীর রক্ষা বাঁধে ধস নেমেছে অন্তত আট বার। এ জনপদের মানুষ এখন নদী ভাঙন আতঙ্কে দিশেহারা। ভাঙন রোধে আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই এখানে আরও আট কিলোমিটার বাঁধ জরুরি। ভয়াবহ ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে কমলনগরের বাসিন্দারা মানববন্ধন, সভা-সমাবেশ ও সড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচি দিয়েছেন। দাবির মুখে গত বছর এক কিলোমিটার তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। মাত্র এক কিলোমিটার বাঁধ কমলনগরের যথেষ্ট নয়। কমলনগরের নদী তীর রক্ষা বাঁধের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ হওয়ার কথা থাকলেও তা আজও আলোর মুখ দেখেনি। দ্রুত সময়ের মধ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শু