সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯সত্য ও সুন্দর আগামীর স্বপ্নে...

খবর

অক্টোবরে আসতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘হিকা’

অক্টোবরে আসতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘হিকা’

খবর, জলবায়ু, সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
ঢাকা: বর্ষা মৌসুম শেষ হবে অক্টোবরের প্রথমার্ধে। বৃষ্টি-বাদলের বিদায়বেলায় প্রকৃতি দেখাতে পারে আরেক রুদ্রমূর্তি। আবহাওয়া অফিস বলছে, অক্টোবরে আরেকটি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে। এমনটি হলে তার নাম হবে ‘হিকা’। আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদের তৈরি দীর্ঘমেয়াদী এক পূর্বাভাস থেকে এমনটি জানা গেছে। ইতোমধ্যে পূর্বাভাসটি দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দফতরে পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, অক্টোবর মাসে বাংলাদেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হবে। তবে, বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দু’টি নিন্মচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে অন্তত একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অফিসের দেওয়া ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের তালিকা থেকে দেখা গেছে, ফণী ও বায়ুর পর এবার যে ঝড়টি আসবে, সেটির নামকরণ হবে হিকা। এ নাম দিয়েছে মালদ্বীপ। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অক্টোবরের প্রথমার্ধেই দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু তথা বর্ষাকাল বা
ফলকন মীরপাড়া জামে মসজিদ নদীগর্ভে

ফলকন মীরপাড়া জামে মসজিদ নদীগর্ভে

কমলনগর, খবর, টপ সেকশন-১, সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মেঘনা নদীর ভাঙনে চর ফলকন মীরপাড়া জামে মসজিদ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। মসজিদ বিলীন হওয়ায় মুসল্লিরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। পুরো এলাকাজুড়ে এখন ভাঙন আতঙ্ক। শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙনে মসজিদের একাংশ ভেঙে যায়। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বাকি অংশও বিলীন হয়ে যায়। মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা ইসমাইল হোসাইন জানান, ভোরে ভাঙনে মসজিদের মিম্বারসহ একাংশ নদীতে তলিয়ে যায়। দুপুরে অবশিষ্ট অংশ বিলীন হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বর্ষা মৌসুমের আগ থেকে ফলকন ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ডের মীরপাড়া এলাকা ভাঙনের মুখে পড়ে। গত দুই মাস থেকে স্থানীয়রা দাবি জানিয়ে এলেও ওই এলাকায় ভাঙন ঠেকাতে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ স্থাপন করা গেলে মসজিদসহ আশপাশের এলাকা রক্ষা হত। এদিকে, গত দুই সপ্তাহের ভাঙনে মসজিদ সংলগ্ন পাটওয়ারি বাড়ি বিলীন হয়
মেঘনা গিলছে ফলকনের মাটি

মেঘনা গিলছে ফলকনের মাটি

খবর, টপ সেকশন-২, সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে বর্ষা এলেই ভাঙন আতঙ্ক দেখা দেয়। এবার ভয়াবহ ভাঙনের মুখে পড়েছে চর ফলকন ইউনিয়নের লুধূয়া এলাকা। গত দুই মাসের ভাঙনে এ ইউনিয়নের অন্তত দুইশ’ পরিবার নিঃস্ব হয়েছে। অব্যাহত ভাঙনে নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে ফসলি জমি, বাজার, মসজিদসহ শত শত ঘরবাড়ি। ভাঙনের মুখে রয়েছে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ক্লিনিকসহ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা। ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। এমন পরিস্থিতিতে ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড আরও বেশি কার্যকর পদক্ষেপ নেবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দারা। সরেজমিন ভাঙনকবলিত এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ওই এলাকার ঐতিহ্যবাহী আবুল হোসেন তালুকদার বাড়ি মেঘনা গিলে খাচ্ছে। ভয়াবহ ভাঙনে বাড়ির বেশিরভাগ অংশ এখন নদীগর্ভে। ওই বাড়ির আশপাশেও ব্যাপকভাবে ভাঙছে। আতঙ্ক পুরো এলাকাজুড়ে। ভাঙন ঠেকাতে বালুভর্তি জিওব
ফলকন মীরপাড়া মসজিদ ভাঙনের মুখে

ফলকন মীরপাড়া মসজিদ ভাঙনের মুখে

কমলনগর, খবর, জলবায়ু, টপ সেকশন-১, সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মেঘনা নদীর ভাঙনে মুখে পড়েছে চর ফলকন গ্রামের মীরপাড়া জামে মসজিদ। চর ফলকন ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের এই মসজিদ যেকোনো মুহূর্তে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। তিনযুগ ধরে স্থানীয়রা ওই মসজিদে জুমার নামাজসহ ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতেন। এখন মসজিদটি বিলীন হওয়ার আশঙ্কায় মুসল্লিরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। গত দু’সপ্তাহের ভাঙনে মসজিদ সংলগ্ন পাটওয়ারি বাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। ওই বাড়ির ১২টি পরিবার ঘরভিটে হারিয়েছেন। এখন পারিবারিক কবরস্থান ভাঙছে। মসজিদের উত্তর পাশে মীরবাড়ি, হাওলাদার বাড়ি। ওই দু’বাড়িতে অন্তত ২৫টি পরিবারের বসবাস। রোববার (১ সেপ্টম্বর) দুপুরে একঘণ্টার ভাঙনে হাওলাদার বাড়ির একাংশ নদীতে তলিয়ে গেছে। ভাঙনে মীরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত। আতঙ্কে আছে সাদেক মাস্টার বাড়ির বাসিন্দারাসহ শত শত পরিবার। স্থানীয়রা বলেছে, মাতাব্বরহাট নদীর তীর রক্ষা বাঁধের দক্ষিণ অংশে যদি বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্
কমলনগরে মেঘনা গিলে খাচ্ছে তালুকদার বাড়ি

কমলনগরে মেঘনা গিলে খাচ্ছে তালুকদার বাড়ি

কমলনগর, খবর, টপ সেকশন-১, সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
সাজ্জাদুর রহমান : লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের ঐতিহ্যবাহী আবুল হোসেন তালুকদার বাড়ি মেঘনা গিলে খাচ্ছে। ভয়াবহ ভাঙনে বাড়ির বেশির ভাগ অংশ এখন নদী গর্ভে। ওই বাড়ির আশেপাশেও ব্যাপকভাবে ভাঙছে। আতঙ্ক পুরো এলাকা জুড়ে। ভাঙন ঠেকাতে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হলেও; তা যথেষ্ঠ নয়। সোমবার (২৬ আগস্ট) উপজেলার ফলকন গ্রামের ভাঙন কবলিত এলাকা গিয়ে দেখা যায়, তালুকদার বাড়ির উঠানে এখন মেঘনা নদী। প্রায় দশ একর বাড়ির বেশিরভাগ অংশ এখন রাক্ষুসে মেঘনার পেটে। গত দুই সপ্তাহের ভাঙনে বাড়ির নারিকেল-সুপারি বাগান তলীয়ে গেছে। বিলীন হয়েছে দু’টি বসতঘর। এখন চারটি পাকা বসতঘর ভেঙে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তালুকদার বাড়ির বাসিন্দারা বাপ-দাদার বসতভিটে হারিয়ে এখন শোকে পাথর। বাড়ির শেষ চিহ্ন দেখতে আতœীয় স্বজনরা আসছেন। তবে কারও শান্তনা দেওয়ার যেন ভাষা নেই। সবাই নির্বাক। সম্প্রতি ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে একই গ্রামের ১৩০ বছরের ঐতিহ্যবাহী চ