বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯সত্য ও সুন্দর আগামীর স্বপ্নে...

কৃষি

বাড়ির ছাদে থানকুনি চাষ

বাড়ির ছাদে থানকুনি চাষ

কৃষি, সাফল্য
থানকুনি পাতার উপকারিতার জুড়ি নেই। এর ব্যবহার আদি আমল থেকেই। রোগ নিরাময়ে এ মহৌষধ এখন তেমন চোখে না পড়লেও একজন স্বাস্থ্য সচেতন শিক্ষক বাড়ির ছাদে শখ করে থানকুনির চাষ করেছেন। বহু রোগ উপশম হওয়া ভেষজ গুণসমৃদ্ধ এ উদ্ভিদ তিনি নিজেও ব্যবহার করেন; অন্যকে দিয়েও সহযোগিতা করেন। লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আরিফুল ইসলাম। তিনি শহরের মদিন উল্লাহ্ হাউজিংয়ের বাড়ির ছাদে টবে সবজি চাষ করেন। বিভিন্ন শাক-সবজির পাশাপাশি থানকুনিও রয়েছে তার আবাদের তালিকায়। মৌসুম ও প্রকৃতির সঙ্গে মিলেয়ে বিভিন্ন শাক-সবজি চাষ করলেও সারা বছর থানকুনির চাষ থাকে তার বাড়ির ছাদে। আমাদের দেশে উদ্ভিদটিকে কমবেশি প্রায় সবার চেনা। আগে গ্রামের রাস্তার পাশে, পরিত্যক্ত জমি ও বাড়ির আঙিনায় ছায়াযুক্ত স্থানে এ উদ্ভিদের দেখা মিলতো। অপরিকল্পিত বাড়িঘর নির্মাণ, কৃষি জমি হ্রাসসহ নানা কারণে গ্রামগঞ্জে আগের মতো থানকুনি চোখে পড়ে
লক্ষ্মীপুরে কৃষকের গোলায় উঠছে ২লাখ মে.টন ধান

লক্ষ্মীপুরে কৃষকের গোলায় উঠছে ২লাখ মে.টন ধান

কৃষি, লক্ষ্মীপুর, সদর
লক্ষ্মীপুর : লক্ষ্মীপুরে চলছে ধান কাটা উৎসব। মাড়াই, শুকানো ও সংরক্ষণে ব্যস্ত কৃষক পরিবার। এবার উপকূলীয় এ জেলায় ধানের ভালো ফলন হয়েছে। ছাড়িয়েছে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা। চলতি মৌসুমে কৃষকের গোলায় উঠছে প্রায় ১লাখ ৯৪ হাজার ৩৭০ মে.টন ধান। জানা গেছে, মৌসুমের শুরুতে অতিবৃষ্টিতে বিপাকে পড়তে হয়েছে কৃষকদের। একাধিকবার আমনের বীজতলা ডুবে গেছে। পচে নষ্ট হয়ে গেছে ধানের চারা। বেশির ভাগ কৃষক অন্যত্র থেকে চারা সংগ্রহ করে ধান চাষ করেছেন। পরবর্তীতে পোকা কিংবা অন্য কোনো প্রাকৃতিক দূর্যোগের মুখে পড়তে হয়নি কৃষকদের। এখন কৃষকরা ধান কেটে গোলা ভরছেন। কৃষকরা জানান, গত রবি মৌসুমে আগাম বর্ষার কারণে বাদাম, সয়াবিন, মরিচ, তরমুজসহ ক্ষেতের সকল ফসল পানির নিচে তলিয়ে সর্বনাশ হয়েছে। আমন রোপনের প্রস্তুতিতেই অতিবৃষ্টিতে বীজ তলার চারা নষ্ট হয়ে যায়। কিছু উঁচু জমির চারা ও জেলার বাইরে থেকে সংগ্রহ করা চারা দিয়ে আবাদ করা হয়েছে। এতে
লক্ষ্মীপুরে ৪৮ বীজাগার ব্যবহার অযোগ্য

লক্ষ্মীপুরে ৪৮ বীজাগার ব্যবহার অযোগ্য

অনিয়ম, অর্থনীতি, কৃষি, খবর, টপ সেকশন-২, সদর
লক্ষ্মীপুরের প্রান্তিক কৃষকদের কল্যাণে ষাটের দশকে কৃষি বিভাগ ৫২টি ইউনিয়নে একটি করে বীজাগার স্থাপন করে। ওইসব বীজাগারের মধ্যে এখন ৪৮টি ব্যবহারের অযোগ্য। যে কারণে এখানকার কৃষকরা বীজাগারের সুফল পাচ্ছেন না।এতে কৃষি উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে। সম্প্রতি জেলার কয়েকটি ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, অব্যবহৃত এসব বীজাগারের দেয়াল ও ছাদের পলেস্তরা খসে পড়ছে, দরজা-জানালা ভাঙ্গা। ঝাঁপ-ঝোপে শিয়াল-কুকুরের বসবাস। ভূতুড়ে পরিবেশে মাদকসেবীদের আড্ডা।এদিকে, রামগতিতে মেঘনার ভাঙনেও একটি বিলীন হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার সব বীজাগারের ভবন জরাজীর্ণ।   নির্মাণের পর সংস্কার না করায় ব্যবহারের অনুপযোগী এসব ভবনপরিত্যক্ত রয়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রায় অর্ধেক জমি দখল করে ব্যক্তিগত কাছে ব্যবহার করছেন। অন্যগুলোও দখলে নেওয়ারপাঁয়তারা করছেন। কেবলমাত্র তিনটি বীজাগার ব্যবহার করছে কৃষি বিভাগ। স্থানীয় প্রবীন কৃষকরা জানান, ইউনিয়ন
৭৮ কর্মকর্তাসহ শতাধিক পদ শূন্য ব্যাহত উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা

৭৮ কর্মকর্তাসহ শতাধিক পদ শূন্য ব্যাহত উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা

কমলনগর, কৃষি, খবর, টপ সেকশন-২, রামগঞ্জ, রামগতি, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর, সদর
লক্ষ্মীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ৭৮ কর্মকর্তাসহ প্রায় শতাধিক পদ শূন্য রয়েছে। জনগুরুত্বপূর্ণ এই বিভাগে লোকবলের অভাবে কৃষিসম্প্রসারণ ও উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যাহত হচ্ছে। কৃষকদের কল্যাণ ও দেশের কৃষি-অর্থনীতি আরও গতিশীল করতে জরুরি ভিত্তিতে লক্ষ্মীপুর কৃষি বিভাগের জনবল বৃদ্ধি করা এখন সময়ের দাবি। লক্ষ্মীপুর একটি উপকূলীয় জেলা। এখানকার আবহাওয়া ও মাটি কৃষি উপযোগী। এজেলার উর্বর মাটিতে সয়াবিন, ধান, নারিকেল, সুপারি, পান, বাদাম, মরিচ ও শাকসবজিসহ বিভিন্ন ফসলের বাম্পার ফলন হয়। লক্ষ্মীপুর সয়াবিন উৎপাদনের জন্য খ্যাতি অর্জন করেছে। এই জেলাকে ‘সয়াবিনের রাজধানী’ বলা হয়। দেশের উৎপাদিত মোট ৭৫ ভাগ সয়াবিন লক্ষ্মীপুরেই উৎপাদিত হয়ে থাকে। এ কারণে সয়াবিনের সাথে মিল রেখে লক্ষ্মীপুরের অলিখিত ব্র্যান্ড নেম রাখা হয়েছে 'সয়াল্যান্ড'। দীর্ঘদিন ধরে কৃষিতে বিপুল সম্ভাবনাময় লক্ষ্মীপুর জেলায় কৃষি স¤প্রসারণ বিভাগের