সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯সত্য ও সুন্দর আগামীর স্বপ্নে...

সোমবার থেকে ফোরজি

সোমবার থেকে ফোরজি

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মোবাইল ফোন অপারেটরদের চতুর্থ প্রজন্মের (ফোরজি) সেবার আওতায় প্রবেশ করছে বাংলাদেশ। টেলিযোগাযোগ সেবার এই অগ্রযাত্রা বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ারই সরাসরি কার্যক্রম। রবি, বাংলালিংক, গ্রামীণফোন এবং টেলিটক- এই চারটি মোবাইল অপারেটর ফোরজি সেবার লাইসেন্স নেয়ার অনুমতি পেয়েছে। এইদিনে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করবে অপারেটরগুলো। ফোরজি টেলিযোগাযোগ সেবার লাইসেন্স দেয়ার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিটিআরসি)। লাইসেন্স প্রাপ্তির পরদিনই গ্রাহকের কাছে চতুর্থ প্রজন্মের এই টেলিযোগাযোগ সেবা পৌঁছে দিতে চায় অপারেরটরা। এরই মধ্যে প্রস্তুতি সেরে রেখেছে তারা। আশঙ্কা করা হচ্ছে, চালু হলেও ফোরজি থেকে সব গ্রাহক সুবিধা নিতে পারবেন না। কারণ, অনেকের কাছেই ফোরজি সাপোর্ট হ্যান্ডসেট নেই। আর যাদের কাছে উপযুক্ত হ্যান্ডসেট সেট রয়েছে তাদেরও সিম পরিবর্তন করে নিতে হবে। জানা গেছে, বর্তমানে মোবাইল ফোন গ্রাহকের সংখ্যা ১৩ কোটি। এর বিপরীতে হ্যান্ডসেট আছে প্রায় ১০ কোটি। কিন্তু, চালু থাকা হ্যান্ডসেটের ৭০ ভাগই ফিচার ফোন। বাকি ৩০ ভাগ স্মার্টফোন। যার মাত্র পাঁচ ভাগ ফোরজি সেবার জন্য উপযুক্ত। এমতবস্থায়, ফোরজি হ্যান্ডসেট না থাকার পাশাপাশি মানসম্পন্ন সেবা পৌঁছাতে ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন অনেকে। অ্যামটব মহাসচিব টি আই এম নুরুল কবীর বলেন, দেশে বিদ্যমান ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক মানসম্পন্ন ফোরজি সেবার জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে শুরুতে কিছু সমস্যা দেখা দিবে। পরে হয়তো সংকট কাটিয়ে ওঠা যাবে।