বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯সত্য ও সুন্দর আগামীর স্বপ্নে...

লক্ষ্মীপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্বেচ্ছাসেবীরা এগিয়ে

লক্ষ্মীপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্বেচ্ছাসেবীরা এগিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক : মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে ৩০ লক্ষ গাছের চারা রোপণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ উদ্যোগকে সফল করতে প্রচার-প্রচারণা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে স্থানীয় স্বেচ্ছসেবী সংগঠনগুলো ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে। ইতিমধ্যে সংগঠনগুলো শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ করেছে। তাদের এ অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে। উপকূলীয় এ জেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি যথাযথ পালন করা হলে সৃষ্টি হবে সবুজের অরণ্য। আর এ লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো। ইতিমধ্যে জেলা সদর, রায়পুর, রামগঞ্জ, কমলনগর ও রামগতিতে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবী সদস্যরা তাদের নিজ অর্থে গাছের চারা কিনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করছেন বলে জানা গেছে। এদিকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সবুজ বাংলাদেশ। দেশের ১৫টি জেলায় তাদের এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৭ আগস্ট) দুপুরে লক্ষ্মীপুর পৌর আইডিয়াল কলেজের হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তাদের এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অতিথিরা। আলোচনা শেষে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে প্রায় ১৫০ টি ফলদ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোঃ আবদুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান। বিশেষ অতিথি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শাজাহান আলী, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ফরিদা ইয়াছমিন লিকা, সদস্য মাহবুবুর হক মাহবুব, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি শাহীন আলম, সহ-সভাপতি একেএম মাহবুবুর রশিদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন বাবু প্রমুখ। এরআগে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজে দুই শতাধিক ফলদ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও রায়পুর ও কমলনগরে ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ ও গাছ বিতরণ করা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সবুজ বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন বাবু বলেন, লক্ষ্মীপুর একটি উপকূলীয় জেলা। এটি বৃক্ষরোপণের উপযোগী এলাকা। গাছের চারা রোপণ ও সঠিকভাবে পরিচর্যা করা হলে এ অঞ্চলে দ্রুত গাছ বেড়ে উঠে। সবুজ অরণ্যে সৃষ্টির লক্ষ্যে আমরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের এ কর্মসূচি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।