সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯সত্য ও সুন্দর আগামীর স্বপ্নে...

রামগতি-কমলনগরে মেঘনার ভাঙন পর্যবেক্ষণে মেজর মান্নান

রামগতি-কমলনগরে মেঘনার ভাঙন পর্যবেক্ষণে মেজর মান্নান

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : বিকল্পধারার মহাসচিব লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের এমপি মেজর (অব.) আবদুল মান্নান মেঘনা নদীর ভাঙন পরিস্থিতি দেখেতে নদীতে নেমেছেন। ভাঙন রোধে আরও কার্যকারী প্রদক্ষেপ নিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নিয়ে ভাঙন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। শুক্রবার (১৬ আগস্ট) সকাল ১১ টায় কমলনগর উপজেলার মতিরহাট থেকে নৌকায় যোগে নদীর কূল ঘেঁষে ভাঙন পরিস্থিতি দেখছেন। এভাবে রামগতি পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করেন। যাওয়ার পথে নাছিরগঞ্জ নবীগঞ্জ মাতাব্বরহাট লুধূয়াসহ ভাঙন কবলিত বিভিন্ন এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় মেজর (অব.) আবদুল মান্নান বলেন, বর্ষা মৌসুম হওয়ায় মেঘনা নদীর ভাঙন আরও বেড়েছে। আপাতত ভাঙন ঠেকাতে বিভিন্ন স্থানে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হবে। লুধূয়া এলাকায় কাজ চলছে। যেস্থানে ভাঙন সেস্থানেই কাজ হবে। বর্ষা শেষ হলে নভেম্বর মাসে কমলনগরের মতিরহাট থেকে রামগতি পর্যন্ত স্থানীয়ভাবে ৩২ কিলোমিটার নদীর তীর রক্ষা বাঁধ সেনাবাহিনীকে দিয়ে নির্মাণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করছি; ভাঙন পরিস্থিতি দেখে আরও কার্যকর ও সময়পযোগী প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে। এসময় উপস্থিতি ছিলেন, কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমতিয়াজ হোসেন, লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মুসা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রাজু, উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পি, ভাইস চেয়ারম্যান ওমর ফারুক সাগর, তাসফিক মান্নানসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা। প্রসঙ্গত, বছরের পর বছর মেঘনা নদীর অব্যাহত ভাঙনে কমলনগরের বিস্তীর্ণ জনপদ বিলীন হয়ে গেছে। নদী গর্ভে হারিয়ে গেছে রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র , হাজার হাজার একর ফসলি জমিসহ বহু সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা। দীর্ঘ তিনি যুুগেরও বেশি সময় ধরে অব্যাহত ভাঙন থাকলেও বিগত সময় নেওয়া হয়নি যথাযথ কার্যকারী প্রদক্ষেপ।