সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯সত্য ও সুন্দর আগামীর স্বপ্নে...

মেঘনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধ করবে সেনা বাহিনী

মেঘনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধ করবে সেনা বাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিকল্পধারার মহাসচিব; লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের এমপি মেজর (অব.) আবদুল মান্নান বলেছে, রামগতি ও কমলনগর উপজেলার এক ইঞ্চি জমিও আর নদীতে ভাঙতে দেওয়া হবে না। ভাঙন প্রতিরোধে ৩২ কিলোমিটার তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হবে। আগামী নভেম্বর থেকে কাজ শুরু হবে। ৪/৫টি পয়েন্টে সেনা বাহিনী দিয়ে ভাঙন রোধে কাজ করা হবে। বুধবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার ফলকন নদী ভাঙন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে লুধূয়া ঈদগাঁ মাঠ ও হাজিরহাট বাজারে সংক্ষিপ্ত পথ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, যে কোনো মূল্যে নদী ভাঙন থেকে রামগতি-কমলনগরকে রক্ষা করা হবে। নদী শাসন করা কঠিন কোনো কাজ নয়। সরকার ভাঙন প্রতিরোধে আন্তরিক। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশের ন্যায় বাংলাদেশও নদী শাসন করতে সক্ষম। ভাঙন থেকে রক্ষায় সরকার পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিবে। বর্ষা মৌসুম হওয়ায় এখন মেঘনার নদীর ভিবিন্ন অংশে ভাঙছে। সাময়িকভাবে ভাঙন ঠেকাতে কাজ চলছে। ভাঙন কবলিত স্থানে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। বর্ষা শেষেই  চুড়ান্তভাবে নদী শাসনের কাজ শুরু হবে। তীর রক্ষা বাঁধা নির্মাণ হবে। ভাঙন থেকে দুই উপজেলা রক্ষা পাবে। সে লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। পথ সভায় অন্যান্যের মধ্যে রাখেন কমলনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম নুরুল আমিন মাস্টার, তাসফিক মান্নান, অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার পালোয়ান ও সাকিল। এরআগে বিকালে মেজর (অব.) আবদুল মান্নান মেঘনা নদীর ভাঙন কবলিত নাছিরগঞ্জ বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন কমলনগর উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পি ও ভাইস চেয়ারম্যান ওমর ফারুক সাগরসহ দলীয় নেতাকর্মীরা। আগামী ১৬ আগস্ট (শুক্রবার) সকাল ১১ টায় তিনি মতিরহাট এলাকা থেকে রামগতি পর্যন্ত নদী পথে ভাঙন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। এসময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারাসহ বিকল্পধারা বাংলাদেশের নেতারা থাকবেন। সারা বছর ধরে রামগতি-কমলনগরের মেঘনা নদী ভাঙে। বর্ষা মৌসুমে ভাঙন ভয়াবহ রূপ নেয়। গত কয়েক বছরের ভাঙনে হাজার হাজার পরিবার নিঃস্ব হয়েছে। বিলীন হয়ে গেছে ফসলি জমি, রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র। বর্তমানে হুমকির মুখে রয়েছে কমলনগর উপজেলা কমপ্লেক্সসহ বহু সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা।