শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২সত্য ও সুন্দর আগামীর স্বপ্নে...

ফেরী ঘাট জোয়ারে ডুবে বাড়ে দুর্ভোগ

ফেরী ঘাট জোয়ারে ডুবে বাড়ে দুর্ভোগ

সাজ্জাদুর রহমান : লক্ষ্মীপুর-ভোলা নৌপথের মজু চৌধুরীরহাট ফেরী ঘাট সামান্য বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে ডুবে যায়। ঘাট এলাকায় আড়াই থেকে তিন ফুট পানিতে ডুবে থাকায় বাস-ট্রাকসহ শত শত যানবাহন ফেরী পারাপারে ভিড়াম্বনায় পড়তে হয়। এতে চর দুর্ভোগে পড়েন হাজার হাজার যাত্রী, নষ্ট হয় পণ্য বোঝাই ট্রাকের কাঁচা মাল। এসময় যানবাহনের ইঞ্জিনে পানি ঢুকে বিকল হয়ে পড়ে। যে কারণে ঘাটের প্রবেশ পথে বাস-ট্রাক আটকা পড়ে দুর্ভোগ আরও বাড়ে।সরেজমিন ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ভোলা থেকে ছেড়ে আসা একটি ফেরী পন্টুন ঘেঁেষ নোঙর করে। অপর প্রান্তে ট্রাক-বাসের দীর্ঘ লাইন। ঘাট নিচু (লো ওয়াটার) হওয়ায় ওই এলাকায় জোয়ার ও বৃষ্টির পানির কারণে প্রতিদিন একই অবস্থার সৃষ্টি হয়। জানা গেছে, পারাপারের জন্য লো-ওয়াটার, হাই ওয়াটার ও মিড ওয়াটার লেভেলের তিনটি ঘাট থাকার কথা থাকলেও ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌপথের মজু চৌধুরীরহাটে মাত্র একটি মিড ওয়াটার লেভেলের ঘাট নির্মাণ করা হয়েছে। দীর্ঘ দিন থেকে সংস্কার না করায় এখানকার মিড ওয়াটার লেভেল ঘাটটি এখন লো-ওয়াটার ঘাটে পরিনত হয়। যে কারণে সামন্য জোয়ারে ডুবে যায়। স্থানীয়রা জানায় বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি কিংবা জোয়ার হলেই ঘাট এলাকায় পানি জমে যায়। এতে করে দু’পাড়ের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। নদীতে ভাটা পড়ে পানি কমলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। ভোলাগামী পণ্যবাহী ট্রাকের চালক হারুন ও বাস চালক ইলিয়াস জানান, ফেরীর অপেক্ষায় পন্টুনে উঠতে লাইনে দাঁড়াতে হয়। এরই মাঝে জোয়ার কিংবা বৃষ্টি হলে আর পিছনে যাওয়ার সুযোগ থাকে না। ওই মুহুর্তে পানির চাপ বেশি থাকলে ইঞ্জিনে পানি ঢুকে বিকল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। যাত্রীরা জানায়, ঘাটে জোয়ারের পানি জমে থাকায় তারা ফেরীতে উঠতে পারছেননা। ভাটার অপেক্ষায় তাদের দীর্ঘ সময় ঘাটেই কেটে যায়। লক্ষ্মীপুর-ভোলা ফেরী সার্ভিস রুটের মজুচৌধুরীর হাট ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক সিহাব উদ্দিন বলেন, একাধিক ঘাট না থাকায় সব মৌসুমে একটি দিয়েই পারাপার হতে হয়। এখানে হাই ওয়াটার লেভেলের একটি ঘাট নির্মাণের বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

  • Facebook
  • Twitter
  • LinkedIn
  • Print
Copy link
Powered by Social Snap