শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২সত্য ও সুন্দর আগামীর স্বপ্নে...

গরুর সঙ্গেও শক্রতা ?

গরুর সঙ্গেও শক্রতা ?

নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুরে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে মরল কৃষকের পাঁচটি গরু। এসময় গরু রাখার টিনসেট ঘরটিও পুড়ে যায়। অমানবিক এ ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১৭ মে) দিবাগত রাত দুইটার দিকে রামগতি উপজেলার চরবাদাম ইউনিয়নের পূর্ব-পশ্চিম চরকলাকোপা গ্রামে। এঘটনায় বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ ইউনুস বেপারাী ও তার পরিবারের সদস্যরা। তাদের ধারণা, পূর্ব শক্রতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে পেট্রল ঢেলে পাশের বাড়ির জয়নাল হাওলাদার ও তাদের লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে। ঘটনার পর থেকে তাদের ভূমিকা রহস্যজনক। তবে এ বিষয়ে জয়নাল হাওলাদারের বক্তব্য জানা যায়নি। খবর পেয়ে শুক্রবার (১৮ মে) দুপুরে ঘটনাস্থলে যান রামগতি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াহেদ, চর বাদামের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাখাওয়াত হোসেন জসিম ও সাবেক চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ মোল্লা। এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। স্থানীয়রা জানায়, রাতে ইউনুস ব্যাপারী গরুগুলো ঘরে রেখে পাশের ঘরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঘুমাতে যায়। হঠাৎ রাত ২ টার দিকে আওয়াজ শুনে পরিবারের সদস্যরা জেগে যায়। এসময় তারা গরুর ঘরে দাউ-দাউ করে আগুন জ¦লতে দেখে। তারা কিছু বুঝে ওঠার আগেই পাঁচটি গরু ও ঘরটি পুড়ে যায়। গরুগুলো বাধা ছিল। এতে তিন লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। খবর পেয়ে সকাল থেকে আশপাশ এলাকা থেকে শত-শত নারী-পুরুষ দেখতে এসেছেন। ইউনুসের ছেলে সিএনজি চালিত অটোরিকশাচালক কবির হোসেন জানায়, কোন জমিজামা নয়, চারটি বড় গরু ও একটি বাচুরই ছিল তাদের পরিবারের সম্বল। পূর্ব শক্রতা নিয়ে পাশের বাড়ির জয়নাল হাওলাদাররা এ ঘটনা ঘটাতে পারে। ঘটনা শোনার পর শত-শত মানুষ দেখতে এলেও তাদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। এ ব্যাপারে জয়নাল হাওলাদারের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। জানতে চাইলে রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিছুল হক বলেন, ঘটনাটি অমানবিক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এটি পরিকল্পিত নাশকতা কিনা, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • Facebook
  • Twitter
  • LinkedIn
  • Print
Copy link
Powered by Social Snap