সোমবার, ২০ মে ২০১৯সত্য ও সুন্দর আগামীর স্বপ্নে...

কমলনগরে মেঘনার ভাঙন প্রতিরোধের দাবিতে ফের মানববন্ধন

কমলনগরে মেঘনার ভাঙন প্রতিরোধের দাবিতে ফের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : মেঘনা নদীর ভাঙন প্রতিরোধে নদীর তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবিতে আবারও লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মানববন্ধন করা হয়েছে। বুধবার (২৪ এপ্রিল) সকাল ১০ টায় কমলনগরের মেঘনা নদীর পাড়ের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় মানববন্ধন করা হয়। কমলনগর-রামগতি বাঁচাও মঞ্চ এ আয়োজন করে। এর আগেও বিভিন্ন সময় কমলনগর নদীভাঙন প্রতিরোধ কমিটি, কমলনগর সুরক্ষা ফোরামসহ বিভিন্ন সংগঠন নদী ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর প্রদক্ষেপ গ্রহণে মানববন্ধন, প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান ও সড়ক অবরোধসহ নানান কর্মসুচী পালন করে। ওইসব মানববন্ধনে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীরাসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেয়। এবারের মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কমলনগর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোহাম্মদ শামছুল আলম, ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা হুমায়ুন কবির, আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মতলব, অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার পলোয়ান ও সাবেক ইউপি সদস্য খলিলুর রহমান প্রমুখ মেঘনা নদীভাঙন রোধে রামগতি ও কমলনগর এলাকায় বাঁধ নির্মাণে এক ‍হাজার ৩৫০ কোটি টাকা অনুমোদন করে একনেক। ২০১৪ সালের ৫ আগস্ট প্রথম পর্যায়ে ১৯৮ কোটি টাকার প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রথম পর্যায়ের বরাদ্দকৃত টাকায় রামগতিতে এক কিলোমিটার, আলেকজান্ডারে সাড়ে তিন কিলোমিটার ও কমলনগরে এক কিলোমিটার বাঁধ বাস্তবায়ন করা হয়। কিন্তু কমলনগর রক্ষায় মাত্র ১ কিলোমিটার বাঁধ যথেষ্ট নয়।, প্রয়োজন অন্তত আরও ৮ কিলোমিটার। দ্রুত প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে মানববন্ধন করে এলাকাবাসী। প্রসঙ্গত, দীর্ঘ তিন যুগের বেশি সময় ধরে কমলনগরে মেঘনা নদীর ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে হাট-বাজার, রাস্তা-ঘাট, হাজার হাজার একর ফসলি জমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশ্রয়কেন্দ্রসহ বহু স্থাপনা। হুমকির মুখে রয়েছে কমলনগর উপজেলা কমপ্লেক্সসহ সরকারি বেসরকারি বহু প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার মেঘনা নদীভাঙন কবলিত মাতাব্বরহাট এলাকা পরিদর্শনে আসেন। এসময় তিনি পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন কমলনগরকে আর ভাঙতে দেওয়া যাবে না; ভাঙন থেকে রক্ষা করা হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে কমলনগরে ৬০০ মিটার ও রামগতিতে ৭০০ মিটার বাঁধের কাজ করা হবে। এছাড়াও নদীতীর রক্ষায় আরও ১৫ কিলোমিটার কাজ বাস্তবায়নে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে ।