সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯সত্য ও সুন্দর আগামীর স্বপ্নে...

কমলনগরের প্রথম কমিউনিটি ক্লিনিকটি নদী ভাঙনের মুখে

কমলনগরের প্রথম কমিউনিটি ক্লিনিকটি নদী ভাঙনের মুখে

সাজ্জাদুর রহমান : লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনের মুখে পড়েছে উপজেলায় স্থাপিত প্রথম কমিউনিটি ক্লিনিকটি।১৯৯৭ সালে চর ফলকন গ্রামের তালুকদার বাড়ির সামনে ক্লিনিকটি নির্মাণ করা হয়। প্রতিদিন ফলকন ও পাটারিরহাট ইউনিয়নের শত শত বাসিন্দা এ ক্লিনিক থেকে স্বাস্থ্য সেবা নিত। কিন্তু বর্তমানে এটি মেঘনার ভাঙনের মুখে রয়েছে। চর ফলকন লুধূয়া এলাকার বাসিন্দা মরহুম আবুল হোসেন তালুকদারের ছেলেরা সরকারিভাবে ক্লিনিকটি স্থাপনের জন্য জমি দান করেন। তাদের জমিতে মির্মাণ হওয়ায় নাম দেওয়া হয়েছে আবুয়াল হোসেন কমিউনিটি ক্লিনিক। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, নদী থেকে ক্লিনিকটির দুরত্ব মাত্র ৫০ মিটার। এদিকে ধেঁয়ে আসছে মেঘনা। আশে পাশের ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, ফসলি জমিসহ শত শত পরিবার এখন হুমকির মুখে। ক্লিনিকের পাশেই রয়েছে ঘুর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ। এসব রক্ষায় নদীর পাড়ে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ স্থাপন করা হচ্ছে। তবে স্থানীয়রা বলছেন যে হারে নদী ভাঙছে সে হারে জিও ব্যাগ স্থাপন হচ্ছে না। দ্রুত সময়ের মধ্যে আরও বেশি জিও ব্যাগ স্থাপনের দাবি করছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দা হাজিরহাট উপকূল ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক জামাল উদ্দিন তালুকদার বলেন, মেঘনাপাড়ের উপকূলীয় বাসিন্দারা এ ক্লিনিক থেকে স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করতেন। প্রতি দিন শত শত মানুষ এখান থেকে চিকিৎসা ও বিনামূল্যে ওধুষ নিতেন। ক্লিনিকটি রক্ষা করা না গেলে এখানকার মানুষ স্বাস্থ্য সেবা বঞ্চিত হবেন। লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মুসা বলেন, ভাঙন প্রতিরোধে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। ভাঙনের গতি অনেক বেশি; সরকারি বিভিন্ন স্থাপনাসহ বাড়িঘর ফসলি জমি রক্ষায় ভাঙন ঠেকাতে চেষ্টা অব্যাহত আছে